সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দিতে জনপ্রশাসনের নতুন নির্দেশনা

0 53

|| বঙ্গকথন প্রতিবেদন ||

সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দিতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

নতুন নির্দেশনা দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিবদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ অনুযায়ী পাঁচ বছর পর পর সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদ বিবরণী দাখিল ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির অনুমতি নেয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ নিয়ম মানছেন না। এ বিষয়ে এতোদিন সরকারেরও কোনো তদারকি ছিল না।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসনের পরিপ্রেক্ষিতে বিধিমালাটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী দাখিল ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির নিয়ম মানতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিবদের কাছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গেলো বছরের ২৪ জুন চিঠি পাঠানো হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এ চিঠির পর মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর অধীন দপ্তর-সংস্থাসহ নিজেদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাগিদ দিলেও সম্পদের হিসাব দিতে সাড়া নেই সরকারি চাকুরেদের।

এ প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দেয়া বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দেয়া নিয়ে একটি ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ডাটাবেজ থেকে যাতে সহজে বুঝা যায়, নিয়ম অনুযায়ী কোন কোন কর্মচারীকে হিসাব জমা দিতে হবে, কে জমা দিয়েছে কিংবা কে জমা দেয়নি। সহজে হিসাব জমা দেয়ার জন্য একটি ফরমও প্রস্তুত করা হচ্ছে।

গেলো বছরের ২৪ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-৪ শাখার চিঠিতে বলা হয়েছিল, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ এর বিধি ১১, ১২ ও ১৩-তে সরকারি কর্মচারীদের স্থাবর সম্পত্তি অর্জন, বিক্রয় ও সম্পদ বিবরণী দাখিলের বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সুশাসন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লিখিত বিধিসমূহ কার্যকরভাবে কর্মকর্তাদের অনুসরণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে।

এবি//এফএস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More