নারায়ণগঞ্জে মা-মেয়ে হত্যা মামলা ডিবিতে হস্তান্তর

0 53

|| বঙ্গকথন প্রতিবেদন ||

নারায়ণগঞ্জ শহরে মা ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে হত্যা মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

এদিকে জেলা পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট রিমান্ডে নিয়ে আসামি আল জোবায়েরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আমীর খসরু জানান, হত্যার মূল্য রহস্য কী? হত্যার সঙ্গে আর কারও সংশ্লিষ্টতা আছে কি না। এ ঘটনায় আর্থিক লেনদেন বা ব্যবসায়িক কোনো বিরোধ আছে কি না—এসব নানা বিষয়কে সামনে রেখে তদন্তকাজ চালানো হচ্ছে।

জিজ্ঞাসাবাদে জোবায়ের জানিয়েছেন, ওই দিন ফুটপাত থেকে তিনটি ছোরা কেনেন। ওই ছোরা নিয়ে তিনি ঘুরতে ঘুরতে ডাইলপট্টি এলাকায় চলে যান। সেখানে তিনি বহুতল ভবন দেখে মনে করেন, এখানে ব্যবসায়ীরা থাকেন। এখানে হানা দিলে টাকাপয়সা ও সোনা পাওয়া যাবে, সে থেকেই ওই বাড়িতে হানা দেয়। সে সব কটি ফ্ল্যাটে কলিংবেল চাপে, কিন্তু কেউ খোলেনি। ছয়তলা ভবনের ষষ্ঠ তলার ফ্ল্যাটে কলিংবেল চাপলে রুমা চক্রবর্তী দরজা খুলেন। এ সময় তার গলা চেপে ধরলে তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে তার মেয়ে আসলে তাদের দু’জনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন জোবায়ের।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম বলেন, মানসিকভাবে হতাশা ও ঋণগ্রস্ত হওয়ায় তিনি সোনা ও অর্থের জন্যই এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি। তাকে রিমান্ডে আরো ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার শহরের নিতাইগঞ্জ ডালপট্টি এলাকায় মাতৃভবনের ষষ্ঠ তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রুমা চক্রবর্তী (৪৬) ও তার মেয়ে ঋতু চক্রবর্তীর (২২) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই ঘটনাস্থল থেকে আল জোবায়েরকে (২৬) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জেটি//এফএস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More