ঝিনাইদহে ৫ দিনে ৩ জনকে হত্যা

0 30

|| বঙ্গকথন প্রতিবেদন ||

ঝিনাইদহে পাঁচদিনের ব্যবধানে পরপর তিনজনকে হত্যা করেছেন ইয়াদ মোল্লা (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। শারীরিক সম্পর্কে বাধা দেয়ায় এ হত্যা করেছেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন তিনি। ইয়াদ মোল্লা নড়াইল জেলার বিল ডুমুরতলা গ্রামের মৃত চান মোল্লার ছেলে।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে নিয়ে বিভিন্ন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বর্ণনা দেন ইয়াদ মোল্লা।

পুলিশ জানায়, লাউদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রাত্রিযাপন করা সালাউদ্দিন নামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তির সাথে সালাউদ্দিনকে সমকামিতায় লিপ্ত হওয়ার জন্য চেষ্টা করেন ইয়াদ মোল্লা। কিন্তু এতে তিনি রাজি না হওয়ায় একদিন রাতে ঘুমানোর এক পর্যায়ে মেহগনি ডাল দিয়ে ঘুমন্ত সালাউদ্দিনকে পিটিয়ে হত্যা করেন ইয়াদ মোল্লা। পরে মরদেহ স্কুলের সিঁড়ির নিচে রেখে তেঁতুলতলা এলাকায় থাকা শুরু করেন। সেখানেও সমকামিতা ও রাতে স্কুলের বারান্দায় থাকতে বাধা দেয়া নিয়ে বিতণ্ডার এক পর্যায়ে ইলিয়াস পাটোয়ারী নামে আরেকজনকে নলকূপের হাতল দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন। সবশেষ পোড়াহাটি ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার ধর্ষণে বাধা দেয়ায় বিবি জান নামে এক নারীকে পিটিয়ে আহত করেন। গুরুতর আহত বিবি জানকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

ঘটনার পরপরই ঝিনাইদহ ক্যাম্পের র‍্যাব-৬ এর হাতে আটক হন তিনি। ওই রাতেই ইয়াদ মোল্লার বিরুদ্ধে সদর থানায় ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করে র‍্যাব। ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, ৬ ফেব্রুয়ারি তেঁতুলতলা এমকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৯ ফেব্রুয়ারি লাউদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সর্বশেষ ১০ ফেব্রুয়ারি পোড়াহাটি এলাকায় পরপর তিনজনকে হত্যা করেন ইয়াদ মোল্লা। তার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনাস্থল থেকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।

জেটি//এফএস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More