জাহাজেই আছে নিহত নাবিক হাদিসুরের মরদেহ

0 49

|| বিদেশ-বিভূঁই প্রতিবেদন ||

ইউক্রেনের অলিভিয়া বন্দরে বাংলাদেশি জাহাজে রকেট হামলায় নিহত থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমানের মরদেহ জাহাজের ভেতরেই ফ্রিজিং করে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নির্বাহী পরিচালক পীযুষ দত্ত চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

জাহাজটিতে নাবিক ও ইঞ্জিনিয়ারসহ এখন ২৮ জন আছেন। তবে এ মুহূর্তে জাহাজটি বন্দর ছেড়ে যাওয়া নিরাপদ নয় বলে জানিয়েছেন সেখানকার কর্মকর্তরা।

পীযুষ দত্ত জানিয়েছেন, বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজটিতে এক মাসের খাদ্য মজুত রয়েছে। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সবাইকে জাহাজে অবস্থান করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

জাহাজটি ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেখানে আটকে পড়ে। এদিকে কয়েকদিন আগে জাহাজের একজন নাবিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, দেশে ফিরে আসার জন্য তারা অধীর আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছে।

হাদিসুর রহমানের মরদেহ দেশে আনার আকুতি জানিয়েছেন তার বাবা। হাদিসুরের বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নে।

হাদিসুরের চাচা বেতাগী উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকান বলেন, আমার চাচাতো ভাই মাদরাসা শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদারের ছেলে হাদিসুর চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমি থেকে লেখাপড়া শেষ করে ২০১৮ সাল থেকে বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। এদিকে ছেলের মৃত্যু সংবাদে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন হাদিসুরের মা।

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের অধীন বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজটি গত ২৬ জানুয়ারি এটি ভারতের মুম্বাই বন্দর থেকে যাত্রা করে এবং তুরস্কের ইরেগলি হয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়। এর একদিন পর ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরু হয়।

জেটি//এফএস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More