ছয় টুকরা লাশের রহস্য উন্মোচন করলো সিআইডি

0 39

|| বঙ্গকথন প্রতিবেদন ||

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ফার্মেসির ভেতরে প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্নার (৩৪) ছয় টুকরা লাশের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।

গ্রেফতাররা হলেন- জিতেশ চন্দ্র গোপ (৩০), অনজিৎ চন্দ্র গোপ (৩৮) ও অসীত চন্দ্র গোপ (৩৬)।

শনিবার দুপুরে সিআইডির সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর গণমাধ্যমে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

সিআইডি জানায়, জ্যোৎস্না স্থানীয় ফার্মেসির মালিক জিতেশ চন্দ্র গোপকে তার অসুস্থতার কথা জানালে তিনি তাকে ফার্মেসিতে যেতে বলেন। এরপর ফার্মেসিতে গেলে জ্যোৎস্না পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার হন। জ্যোৎস্না ধর্ষণের কথা সবাইকে জানিয়ে দিতে চাইলে জিতেশসহ তিনজন তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে ফল কাটার ছুরি দিয়ে মরদেহকে নৃসংশভাবে ছয় টুকরা করে তারা।

তিনি আরো বলেন, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টের ব্যারিস্টার মির্জা আব্দুল মতিন মার্কেটের অভি মেডিকেল হল নামে একটি ওষুধের দোকান থেকে শাহনাজ পারভীন জ্যোৎস্নার ছয় টুকরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত জ্যোৎস্না জগন্নাথপুর থানার নারকেলতলা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী ছরকু মিয়ার স্ত্রী। এ ঘটনায় নিহতের ভাই হেলাল উদ্দিন বাদি হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

এ ঘটনার পর সিআইডির একাধিক দল আসামিদের গ্রেফতারে দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা থানার নুরেরচালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিতেশকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জগন্নাথপুর থানার পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনজিৎ ও অসীত গোপকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহত জ্যোৎস্না ২০১৩ সাল থেকে পৌর শহরের নিজের বাসায় দুই ছেলে, এক মেয়ে, বৃদ্ধা মা ও ভাই-বোনদের নিয়ে বসবাস করেছিলেন।

জেটি//এফএস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More