কোম্পানীগঞ্জে কলেজছাত্রী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন

0 44

|| বঙ্গকথন প্রতিবেদন ||

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে কলেজছাত্রী শাহানাজ আকতার প্রিয়তার (২১) ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুজাহান বেগমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি রুবেল।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপারেশন) দীপক জ্যোতি খীসা বলেন, কলেজছাত্রী প্রিয়তা হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রিয়তার সর্বশেষ অবস্থান জেনে প্রযুক্তির মাধ্যমে রুবেলকে শনাক্ত করি। শুক্রবার ভোরে সুবর্ণচরে চররশিদ এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্যে বসুরহাট পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের জামাইটেক এলাকায় মসজিদের পাশে থেকে ফেলে দেওয়া প্রিয়তার দুটি সিম ও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। রুবেল কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের জমিন মাঝির বাড়ির মকবুল আহাম্মদের পালক ছেলে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, কলেজছাত্রী প্রিয়তা নানার বাড়িতে থেকে বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি বাজারের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে সেবিকার কাজ করতেন। ঘটনার রাতে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে নানার বাড়ি যেতে রুবেলের রিকশায় ওঠেন প্রিয়তা। পথে অন্ধকারে ওড়না পেঁচিয়ে মুখবেঁধে ধানক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করেন রুবেল। তিনি আরো বলেন, গ্রেফতার রুবেলের বিরুদ্ধে গত ১৮ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে তার পালক মা পারুল আক্তারকে নেশার টাকার জন্য কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় রুবেলসহ তার আরো দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে জামিনে এসে সে এ ঘটনায় ঘটায়। শুক্রবার বিকেলে রুবেলকে নোয়াখালী আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

জেটি//এফএস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More