সাবেক স্পিকার হুমায়ুন রশীদ’র ৯৩তম জন্মজয়ন্তী আজ

0 13

||বঙ্গকথন প্রতিবেদন||

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কূটনীতিক এবং জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর ৯৩তম জন্মজয়ন্তীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃআব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ সময় মরহুম হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ছিলেন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কূটনীতিক ও বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ভারত, ভুটানসহ বিশ্বের ৪০টির বেশি দেশের স্বীকৃতি আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, যা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে (৪১তম অধিবেশনে) প্রথম বাঙালি হিসেবে সভাপতিত্ব করার বিরল গৌরব অর্জন করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, আমাদের মহান স্বাধীনতার ইতিহাসে বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী আমাকে এবং আমার বোন শেখ রেহানাকে বেলজিয়াম থেকে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিতে আনার ব্যবস্থা করেন। সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্ধিরা গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগ করে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী দিল্লিতে আমাদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন। অকুতোভয় এই কূটনীতিককে সেজন্য ষড়যন্ত্রকারীদের রোষানলে পড়তে হয় এবং তিনি বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হন।

তিনি আরো বলেন, আমার প্রত্যাশা, স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের নেতারা বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মরহুমের অবদান জাতির সামনে উপস্থাপন করবেন এবং নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে প্রেরণা যোগান।

এসএ//এফএস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More