‘সন পদক’ পেলেন বাংলাদেশী স্থপতি মেরিনা

0 20

||বঙ্গকথন প্রতিবেদন||

মানুষের জীবনে স্থাপত্যের গুরুত্ব ভালোভাবে বোঝার জন্য উৎসাহিত করতে ২০১৭ সাল থেকে মর্যাদাপূর্ণ ‘সন পদক’ প্রবর্তন করে লন্ডনের স্যার জন সন জাদুঘর কর্তৃপক্ষ । বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চল থেকে প্রথম কোনো নারী যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ ‘সন’ পদক পেয়েছেন। এই পুস্কারপ্রাপ্ত নারী বাংলাদেশি স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম।

মারিয়ার স্থাপত্যনকশায় নির্মিত মানবিক ঘর

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এই পুরস্কারের ঘোষণা দেয়া হয়। মানবিক ঘর তৈরির জন্য ‘সন’ পদক পেয়েছেন মেরিনা। পুরস্কার জেতার প্রতিক্রিয়ায় মেরিনা বলেন, ‘প্রথমে আমি ভেবেছিলাম এটা কৌতুক। আগের বিজয়ী রাফায়েল মনেও, ডেনিস স্কট ব্রাউন ও কেনেথ ফ্রাম্পটনের তুলনায় আমার কাজ এখনো চলমান। এখনো অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি।’

গত বছর মেরিনা এবং তার দল ভূমিহীন চরের বাসিন্দাদের জন্য কম খরচের ‘মডুলার হাউস কিট’ তৈরিতে কাজ শুরু করেন। তিনি ঢাকায় বসে পরিকল্পনা করে ফেলেন কীভাবে ভাগ্যের বদল ঘটানো যায় এসব প্রতিকূল পরিবেশে থাকা মানুষগুলোর।

মেরিনা বলেন, একজন স্থপতি হিসেবে এসব মানুষের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। অবকাঠামোগত শিল্পায়ন বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণের ক্ষেত্রে অর্ধেক অবদান রাখে। কিন্তু উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজনের এতে ভূমিকা শূন্য।’

মেরিনা তাবাসসুম ১৯৬৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা একজন চিকিৎসক ছিলেন। ১৯৯৫ সালে তিনি স্থপতিবিদ্যায় স্নাতক সম্পন্ন করেন। মেরিনা সুলতানি আমলের স্থাপত্যের আদলে ঢাকায় বায়তুর রউফ মসজিদের নকশা করে বেশ সমাদৃত হন এর আগে ।ওই স্থাপত্যনকশার জন্য তিনি জামিল প্রাইজ এবং আগা খান পুরস্কারও লাভ করেন।

এসএ//এমএইচ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More