‘যুব হেফাজত’ গঠন করতে চেয়েছিলেন হারুন ইজাহার

0 108

।।রাজকথন প্রতিবেদন।।

হেফাজতে ইসলামের যেকোনো কর্মসূচিতে নিজস্ব লোকজন নিয়ে ‘শক্তি প্রদর্শন’ করতেন হারুন ইজাহার। নিজস্ব বলয়ে ‘যুব হেফাজত’ নামের অঙ্গসংগঠন গড়ার চেষ্টাও ছিল তাঁর। হেফাজতসংশ্লিষ্ট নেতারা এ কথা জানিয়েছেন। হেফাজতের সদ্য বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন হারুন ইজাহার। ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের সভাপতি মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরী ছেলে তিনি। হাটহাজারীতে সহিংসতার ঘটনার ‘মদদদাতা’ হিসেবে গত বুধবার রাতে হারুনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব ।

তিন মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ। আজ সোমবার রিমান্ড আবেদনের শুনানি হবে। র‌্যাব -৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লে. কর্নেল মশিউর রহমান বলেন, হারুন ইজাহারের জঙ্গি সম্পৃক্ততা আছে। তিনি হাটহাজারীর সহিংসতার ঘটনার মদদদাতা। আল্লামা আহমদ শফীর নেতৃত্বে হেফাজত প্রতিষ্ঠার সময় মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরীকে নায়েবে আমির করা হয়। তবে তাঁর পরিচালিত মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণের পর থেকে তাঁকে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। জুনায়েদ বাবুনগরীর নেতৃত্বে গত বছরের নভেম্বরে করা কমিটিতে বাবা বাদ পড়লেও ছেলে হারুন ইজাহারকে শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক করা হয়। হারুন ইজাহার ঢাকার শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা মোট ১৮টি মামলার আসামি। ২০১৩ সালের ১০ জুলাই লালখান বাজার মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনার পর হারুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় তিনজন নিহত হন। এ ঘটনায় করা হত্যা, বিস্ফোরক ও অ্যাসিড আইনের করা তিন মামলার আসামি তিনি। মামলাগুলোর বিচারকাজ চলছে। জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে র‌্যাবের করা মামলায় অভিযোগ পত্রভুক্ত আসামিও তিনি।

এসএফ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More