মধ্য প্রদেশের কালোবাজারে বাংলাদেশের রেমডেসিভির, প্রতি পিস ২০হাজার রুপি

0 229

করোনাভাইরাস মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি চলছে ভারতে। একদিকে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ, অন্যদিকে রোগীর চাপে ভরে গেছে হাসপাতালের শয্যাগুলো। তার ওপর মরার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে উঠেছে ওষুধ সংকট। করোনা চিকিৎসায় দেশটিতে রেমডেসিভিরের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় কোম্পানিগুলো সেই চাহিদা মেটাতে পারছে না। ফলে কালোবাজারে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধটি।

গত শনিবার মধ্য প্রদেশে রেমডেসিভির কালোবাজারির দায়ে এক চিকিৎসকসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে ভারতীয় পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চার পিস ওষুধও।

উদ্ধার হওয়া ওষুধগুলো বাংলাদেশে তৈরি। সেগুলো কালোবাজারে প্রতি পিস ২০ হাজার রুপি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছিল।উদ্ধার করা ওষুধগুলোর গায়ে ‘রেমিভির ১০০’ লেখা ছিল, যা রেমডেসিভির ইনজেকশনের একটি ব্র্যান্ড। আর এটি উৎপাদন করে বাংলাদেশের এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস।

ক্রাইম ব্রাঞ্চের এসপি গোপাল ধাকাড় জানান, আটক ব্যক্তির নাম সামি খা (৩০)। তিনি ১৮ হাজার রুপিতে রেমডেসিভির বিক্রি করার চেষ্টা করছিলেন। অথচ একদিন আগেই ভারতীয় সরকার এর দাম ৮০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৪৯০ রুপি নির্ধারণ করে দিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা সামি খানের তিন সহযোগী আখলাখ খান (২৪), নোমান খান (৩০) এবং এহসান খানকেও গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে এহসান খান পেশায় চিকিৎসক।অভিযুক্তরা জানিয়েছেন, মূলত নোমান খানই রেমডেসিভির ইনজেকশন এনেছিলেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More