মধুমাসে বগুড়ার নন্দীগ্রামে রসালো ফলের সমাহার

0 27

।। উপজেলা প্রতিবেদক নন্দীগ্রাম ।।

ঋতু চক্রের পালাবদলে প্রকৃতিতে চলছে এখন গ্রীষ্মকাল। প্রখর তাপ প্রবাহের দাপট দেখিয়ে বিদায় নিয়েছে বৈশাখ। শুরু হয়েছে মধুমাস হিসেবে খ্যাত জৈষ্ঠ্য। এখন মাঝে মাঝেই দেখা মিলছে প্রশান্তির বৃষ্টি। খরতাপে অতিষ্ঠ তৃষ্ণার্ত মানুষের প্রাণ জুড়াতে বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাজারে এখন হরেক রকমের রসালো ফলের সমাহার ঘটেছে। দোকানগুলোতে থরে থরে সাজানো বিভিন্ন জাতের আম, জাম, কাঁঠাল, কলা, লিচু, আনারস, তরমুজ, বাঙ্গীসহ বাহারি সব দেশী ফল। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে এই রসালো ফলগুলো। নানা ফলের মধুরঘ্রাণে ভরে উঠছে বাজারের আশপাশ।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিলে আম ও লিচুর দোকানে। তবে খুব কম পরিমাণেই বাজারে উঠেছে বাঙালির জাতীয় ফল কাঁঠাল। যদিও ফলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি বলে দাবি ক্রেতাদের। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন এখনও বাজারে ফলের প্রাচুর্যতা তেমন বাড়েনি। তাই দাম একটু বেশি। বাজারে দেখা গেছে, প্রতি ১০০ পিস লিচু বিক্র হচ্ছে ২৪০ থেকে ৩৫০টাকায়, বিভিন্ন জাতের আম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ১০০ টাকায়। জাম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, তরমুজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় ও প্রতিটি কাঁঠাল আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। কলেজ পাড়ার বাসিন্দা ফল ক্রেতা নিতিশ গাঙ্গুলী বলেন আমি ৫ কেজি আম ৮০ টাকা কেজি দরে ও ১০০ শো লিচু ২৮০ টাকায় কিনেছি। আগের তুলোনায় বাজার এখন কিছুটা কমেছে। ফল ব্যবসায়ী তোতা মিয়া জানান, আমরা ফলগুলো কিনে এনে বিক্রি করি। তাই বেশি দামে কিনতে হলে আবার বেশি দামেই বিক্রয় করতে হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল বলেন, যেকোন ফল মানবদেহের জন্য উপকারী। বিশেষ করে এই মৌসুমী ফলগুলোতে ভিটামিন ও মিনারেলসহ নানা পুষ্টি উপদানে ভরপুর। তাই সবারই পরিমিত পরিমানে এ ফলগুলো খাওয়া দরকার।

এসএফ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More