বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে ক্যাপ্টেন নওশাদকে

0 33

নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ক্যাপ্টেন নওশাদকে বনানী কবরস্থানে তার মায়ের কবরের পাশে দাফন করা  হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে নওশাদ কাইউমের মরদেহে শ্রদ্ধা জানানোর পর বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এ কথা জানান।

শতাধীক যাত্রী নিয়ে ২৭ আগস্ট বিমানের বিজি-১২০ ফ্লেইটে ওমান থেকে ঢাকার পথে যাত্রা শুরু করেন নওশাদ । ভারতের আকাশ সীমানায় বড় ধরনের ‘হার্ট এ্যাটাক’র শিকার হন পাইলট । ১২৪ জন যাত্রির প্রাণ বাঁচাতে মরিয়া নওশাদ কলকাতা এয়ার কন্ট্রোলের কাছে জরুরী অবতরণের আবেদন জানান । নির্দেশনা অনুযায়ি কো-পাইলট মুস্তাকিমের সহায়তায় মহারাষ্ট্রের নাগপুর বাবা সাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরী অবতরণ করানো হয় ।

নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালে শুরু হয় ক্যাপ্টেন নওশাদের চিকিৎসা । চিকিৎসকদের নানান চেষ্টা ব্যার্থ করে দু’দিন ভেনটিলেশনে থাকার পর ৩০ আগস্ট মৃত্যু হয় তাঁর ।

চারদিন হাসপাতালের মর্চুয়ারিতে ক্যাপ্টেন নওশাদের মরদেহ রাখার পর আজ আনা হয় দেশে ।

এর আগের ২০১৬ সালে ১৪৯ জন যাত্রী নিয়ে কাতার থেকে কক্সবাজার ফেরার পথে বিমানের চাকায় যান্ত্রিক ত্রটির কারনে ঢাকায় জরুরী অবতরন করান বিমানটি । ক্যাপ্টেন নওশাদ কাউয়ুম সেদিনো একইভাবে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে এনেছিলেন যাত্রীদের । দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার কারনে বৈমানিকদের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব এয়ারলাইনস পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএফএএলপিএ) এর কাছ থেকে অর্জন করেছিলেন সম্মানসূচক প্রশংসাপত্র ।

৪৪ বছর বয়সী সাহসী এই ক্যাপ্টেন ছিলেন দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তাদের পিতা । নওশাদের বাবাও মেধাবী বৈমানিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন ।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More