প্রথমবার সারাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

0 50

||ধর্ম-বিধান প্রতিবেদক||

‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’ বা অধন্ধকারচ্ছন্ন যুগ বলা হয় ওই সময়কে যখন গোটা আরব নানান অপকর্মে লিপ্ত ছিল, দাস প্রথার প্রচলন ছিল, হানাহানি ও কাটাকাটিতে লিপ্ত ছিলো এবং মূর্তিপুজা করতো। আরবের সবখানে দেখা দিয়েছিলো অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ অন্ধকার যুগের অবসান ঘটিয়ে সুন্দর আলোকিত যুগের সূচনার বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে আগমণ করেন নবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.)।

এক হাজার ৪৫১ বছর আগে সৌদি আরবের মক্কা নগরে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের একই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

বাংলাদেশে দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসাবে পালন করা হয়। গত বছর করোনা কারণে সেভাবে পালন না হলেও এবার করোনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে তাই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে দিবসটি উদযাপন হচ্ছে এবার সারাদেশে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতি বিজড়িত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সারাবিশ্বের মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত দিন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর শিক্ষা সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুসরণীয়। মহানবী (সা.)- এর সুমহান আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই মুসলমানদের অফুরন্ত কল্যাণ, সফলতা ও শান্তি নিহিত রয়েছে।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ৪০ বছর বয়সে নবুওয়াত লাভ করেন। নবুওয়াতপ্রাপ্তির আগেই ‘আল আমিন’ নামে খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। ইসলামের নবী হিসেবে বিশ্বমানবতার মুক্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা ছিল তার ব্রত। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর প্রেরিত শেষ নবী ও রাসূল।

এসএ//এমএইচ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More