প্রতিপক্ষের মাঠে দুর্দান্ত জয়ে শেষ চারে ম্যান সিটি

0 55

||খেলার মাঠ প্রতিবেদন||

ঘরের মাঠ কিংবা পরের মাঠ- দুই জায়গায়ই সমান দাপুটে ফুটবল প্রদর্শনী করল ইংল্যান্ডের জায়ান্ট ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি। যার সুবাদে ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো মিলেছে ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের আসরে সেমিফাইনালের টিকিট।

বুধবার রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠ থেকে ২-১ গোলের জয় নিয়ে বাড়ি ফিরেছে ম্যান সিটি। এর আগে প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে একই ব্যবধানে জিতেছিল তারা।

যার ফলে দুই লেগ মিলে ৪-২ গোলের অগ্রগামিতায় আসরের চতুর্থ দল হিসেবে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হয়েছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যদের। সেরা চারে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখকে বিদায় করা প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)।

তবে বরুশিয়ার মাঠে জয়টা অত সহজ ছিল না ম্যান সিটির জন্য। প্রথম লেগে একটি এওয়ে গোল থাকায় ঘরের মাঠে ১-০ ব্যবধানেই জিতলেই হতো বরুশিয়ার। সেই মোতাবেক ম্যাচের ১৫ মিনিটেই প্রথম গোল করে ফেলেন ১৭ বছর বয়সী জুড বেলিংহাম।

শুরুতেই গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়লেও দমে যায়নি ম্যান সিটি। উল্টো একের পর এক আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে বরুশিয়ার রক্ষণভাগকে। তবু প্রথমার্ধে মেলেনি গোলের দেখা। যার ফলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় তারা।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে প্রথম গোলের জন্য মাত্র ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে সিটিজেনদের। ডি-বক্সের মধ্যে উড়ে আসা একটি ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে বরুশিয়া ডিফেন্ডার এমরে কানের হাতে লাগে। ফলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পটকিকে দলকে সমতায় ফেরান রিয়াদ মাহরেজ।

ম্যাচের ফলাফল এই ১-১ থাকলেও দুই লেগ মিলে ৩-২ গোলের অগ্রগামিতায় সেরা চারে পৌঁছে যেত ম্যান সিটি। তবে তারা বেছে নেয় ব্যবধান বাড়ানোর পথ। ম্যাচের ৭৫ মিনিটের সময় ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে বরুশিয়ার জাল কাঁপান তরুণ ফরোয়ার্ড ফিল ফোডেন। ম্যান সিটি পায় ২-১ গোলের জয়।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More