প্রণোদনার ঋণের অর্ধেক অনুদান হিসেবে পেতে চান ব্যবসায়ীরা

0 41

করোনার ধাক্কা মোকাবিলায় ছোট–বড় অনেক প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার ঋণ পেয়েছে। এই প্রণোদনা ঋণের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অনুদান হিসেবে ঘোষণার দাবি করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)।

রোববার (১৮ এপ্রিল) এনবিআর-এফবিসিসিআইয়ের যৌথভাবে আয়োজিত বাজেটসংক্রান্ত পরামর্শ সভায় এ প্রস্তাব করা হয়।

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা বক্তব্য দেন। এতে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

সভায় এফবিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন,করোনার ধাক্কা সামাল দিতে বড় শিল্পমালিকদের ছাড় করা টাকার ৫ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অনুদানে রূপান্তর করা উচিত। এছাড়া কৃষি খাতে যেসব প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার অর্থ পেয়েছে, তাদেরও ৫০ শতাংশ অনুদান হিসেবে ঘোষণা দেয়ার দাবি জানান তিনি।

একইসঙ্গে আগামী দুই বছরের মধ্যে আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম আয়কর ও আগাম ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানায় এফবিসিসিআই।

সংগঠনটি মনে করে, করোনার সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্য কমে গেছে। এই সময়ে অগ্রিম আয়কর ও আগাম ভ্যাট প্রত্যাহার করা হলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে নগদ টাকার প্রবাহ বাড়বে। এছাড়া স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্পোরেট কর কমানোর সুপারিশ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

২০২০ সালে ২৫ মার্চ পাঁচ হাজার কোটি, ৫ এপ্রিল ৬৭ হাজার ৭৫০ কোটি এবং পরে আরও মিলিয়ে ২৩টি প্যাকেজে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার। এ অর্থের সিংহভাগই ঋণ হিসাবে বিতরণ করা হয়। খাত ভিত্তিক বিতরণ হওয়া এ প্রণোদনা ঋণের একটি অংশ অনুদান চান ব্যবসায়ীরা।

ই-কমার্স খাতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতির দাবি জানায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More