দেড় শ শুল্ক স্টেশন থাকলেও সক্রিয় মাত্র ৩৭ টি

0 31

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে কাগজে-কলমে ১৮৪টি শুল্ক স্টেশন আছে। কিন্তু সক্রিয় রয়েছে মাত্র ৩৭টি শুল্ক স্টেশন। এর মধ্যে ২৪টি স্থলবন্দর রয়েছে।

যেসব শুল্ক স্টেশন তথা স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত ব্যবসা-বাণিজ্য হয়, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বেনাপোল, তামাবিল, হিলি, সোনামসজিদ, দর্শনা, শেওলা, বুড়িমারী, ছাতক, বিরল, বিবিরবাজার, টেকনাফ, আখাউড়া, জকিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ।

বাকিগুলো শুধু কাগজে-কলমে শুল্ক স্টেশন। অকেজ  এবং জনশূন্য হয়ে পরে  আছে স্টেশন গুলো। এমনকি কোনো অফিসও নেই।

দেড় দশক ধরে কয়েকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে অকার্যকর শুল্ক স্টেশনগুলো বিলুপ্ত করতে। কিন্তু তা ব্যর্থ হয়েছে। কারণ, শুল্ক স্টেশন বন্ধ করতে হলে শুধু এনবিআর সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মতামতও লাগে। সাধারণত রাজনৈতিক বিবেচনায় জনপ্রতিনিধিরা চান না যে অকার্যকর শুল্ক স্টেশনগুলো বিলুপ্ত ঘোষণা করা হোক।

দীর্ঘসময় ধরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায়  ২০০৭ সালে প্রায় ৫০টি ৫০টি শুল্ক স্টেশন অকার্যকর ঘোষণা করা হয়। ওই তালিকায় যেসব শুল্ক স্টেশন আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ডোরা বাজার, পাকশী, বরিশাল, চরমুগুরিয়া, গোয়ালন্দ, শংকর, শিবগঞ্জ, নীদপুর, প্রেমতলী, ধামইরহাট, বগুড়া, সান্তাহার, নেকমর্দ, নীলফামারী, মোগলহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, উখিয়া ঘাট, চৌমুহনী, শুভপুর, কুমারঘাট, লাতু, কুমিল্লা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, সরিষাবাড়ী, ভৈরব, ময়মনসিংহ, মীরকাদিম, মুন্সিগঞ্জ, লৌহজং, আরিচাঘাট, রংপুর, আনমুরা রেলস্টেশন ও শ্রীপুর। অকার্যকর ঘোষিত শুল্ক স্টেশনগুলো দিয়ে গত দেড় দশকেও কোনো পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়নি।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More