দেশীয় ফ্যাশন শিল্পে প্রভাব পড়েছে করোনার

0 173

পর পর দুই বছর মহামারীর ধাক্কা সামলাতে গিয়ে অনেকটা ছোট হয়ে এসেছে দেশিয় ফ্যাশন শিল্পের পরিসর। গত এক বছরে ফ্যাশন হাউজের অনেক ছোট আউটলেট বন্ধ হয়েছে, অনেক উদ্যোক্তা পেশা পরিবর্তন করেছেন, কারিগর, কর্মচারীদেরকেও ছাড়তে হয়েছে চাকরি।

গতবছরও পহেলা বৈশাখের বাজার যখন নতুন নতুন ডিজাইনের শাড়ি, পাঞ্জাবী, থ্রি-পিস ও কুর্তা দিয়ে সাজানো হয়েছিল, তখনই আসে ‘লকডাউন’ ।সে সময় লোকসান ও ঋণের বোঝা হালকা করতে ফ্যাশন হাউজগুলোতে চলে কর্মী ছাঁটাই।

এ বছর রোজার ঈদ ও পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে হাউজগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিলেও মহামারীর আঘাত এসেছে আরও বেশি তীব্রতায়।

বর্তমান পরিস্থিতিতে হতাশার কথা শুনিয়েছেন অন্যতম ফ্যাশন হাউজ ‘রঙ বাংলাদেশের’ ব্যবস্থাপক সৌমিক দাস। ছোট উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বড় ফ্যাশন হাউজগুলোও বিক্রয়কেন্দ্র কমানোর চিন্তা করছে বলে জানান তিনি।

মহামারী শুরুর পর সরকার বিভিন্ন ঋণ প্রণোদনা ঘোষণা করলেও ব্যাংকের নানা শর্তের কারণে দেশীয় ফ্যাশন উদ্যোক্তারা সেই সুবিধা নিতে পারেননি বলেও জানান সৌমিক। আর বাজার ঘুরে না দাঁড়ানোর কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের ঋণের প্রয়োজনই হয়নি।

“২০১৯ সাল যে ভালো গিয়েছিল ব্যাপারটা ওরকমও না। ২০২০ সালে বেচাকেনা ৭০ শতাংশ ড্রপ করল। ২০২১ সালেও একই পরিণতির দিকে যাচ্ছে। এতোগুলো ধাক্কা সামলে একটা খাত কিভাবে টিকে থাকতে পারে?”

সত্যিকারের গুটিয়ে যাওয়ার উদাহরণ পাওয়া গেলো পাশে ‘নীল ক্র্যাফট’ নামের আরেকটি শো রুমে গিয়ে। এই দোকানটিতে ব্যবস্থাপক হিসেবে গত ছয় মাস ধরে আছেন রিপন আহমেদ। অথচ গত বছর তিনিই মালিবাগের সেন্টার পয়েন্ট মার্কেটে দুটি শো রুমের মালিক ছিলেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More