তথ্য প্রতিমন্ত্রীর বক্তবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার দাবি নারী অধিকারকর্মীদের

0 59

||বঙ্গকথন প্রতিবেদন||

সম্প্রতি একটি ইউটিউব ভিডিওতে একজন নারীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য এবং সমালোচিত মন্তব্যের কারণে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নেবার দাবি নারী অধিকারকর্মীদের। বিরোধী দল বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একজন নেতার কন্যাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করাসহ টকশোতে উপস্থিত বিএনপির একজন সাবেক নারী এমপিকে ‘মানসিক রোগী’ বলে অভিহিত করেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ মুরাদ হাসান।

এই দুটি ঘটনা নিয়ে গত দুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল সমালোচনা হচ্ছে। এমনকি হাসানের দল, আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক বলে পরিচিত অনেকেই ফেসবুকসহ গণমাধ্যমে হাসানের সমালোচনা করে বক্তব্য দিচ্ছেন।

বেসরকারি সংগঠন নারীপক্ষ এবং ৪০ নারী অধিকার কর্মী আলাদা বিবৃতিতে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নারীপক্ষের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

তবে মুরাদ হাসান বিবিসিকে বলেছেন, তিনি এসব বক্তব্য দিয়ে কোন ভুল করেননি। এগুলো তিনি প্রত্যাহারও করবেন না কিংবা প্রত্যাহার করার ব্যাপারে সরকার ও দলের উপর থেকে কোন চাপও নেই।

তিনি আরো বলেন, তিনি বক্তব্য দেয়ার আগে তাকে ‘নোংরা ভাষায়’ আক্রমণ করে কথা বলেছেন শীর্ষস্থানীয় ওই বিএনপি নেতার কন্যা। সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়াকে প্রসঙ্গে হাসান বলেন, ”আপনি যদি ওই টকশোটা দেখেন, তাহলেই বুঝতে পারবেন আমি কেন বলেছি”।

পেশায় চিকিৎসক মুরাদ হাসান আওয়ামী লীগপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত সরকারে প্রথমে মুরাদ হাসানকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য থেকে তাকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।

এসএ//এফএস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More