চোরাই পণ্যে ভরপুর প্রসাধনী বাজার

0 25

বর্তমান সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বেড়ে চলেছে প্রসাধনীর  চাহিদা। দেশে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার প্রসাধনী বিক্র হয়ে থাকে। এতে  করে সরকারের রাজস্ব খাত বড় ভূমিকা রাখে। আমাদানিকারকদের দাবি , শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে কোটি টাকার পণ্য অবৈধ পথে নিয়ে আসছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

অবৈধ পথে আসা এসব পণ্য সরাসরি চলে যায় চকবাজার এরপর এখান থেকে চলে যায় খুচরা বিক্রেতাদের হাতে। পরিচয় গোপন রেখে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবেশী দেশের বর্ডার থেকে আনা হয় এসব পণ্য। পরে সেগুলোতে বিএসটিআইয়ের নকল স্টিকার লাগানো হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেই স্টিকারও লাগানো হয় না। তবে এ অবস্থাতেই পাইকারি ক্রেতারা পণ্য ক্রয় করেন।  তারা আরো বলেন, ‘মনে করেন সরকারকে ভ্যাট দিয়ে বৈধ পথে একটি লোশনের হোলসেল বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ৫০ টাকা। আর তাহলে অবৈধ পথে আনা পণ্যের হোলসেল বিক্রিয় মূল্য হয় ৩০ টাকা। এতে পাইকারি ক্রেতারা পণ্যের মাণ না দেখে বেশি লাভের আশায় এসব পণ্য ক্রয় করেন। সে ক্ষেত্রে তাঁরা স্টিকার-হলোগ্রাম কিছুই দেখেন না।’

বিশেষ করে বাজারে বিক্রি হওয়া বডি লোশন, শ্যাম্পু, সেভিং ক্রিম ছাড়াও নারীরা ব্যবহার করছেন দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ফেস মাস্ক, ফাউন্ডেশন, মাশকারা, আইলাইনারসহ শখানেক প্রসাধনী। আর এসব পণ্যের চার ভাগের তিন ভাগ আসছে সরকারকে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, বিদেশ থেকে মানহীন পণ্য তো আসছেই। তার পাশাপাশি দেশেও নিম্নমানের প্রসাধনসামগ্রী তৈরি করে ব্র্যান্ডের নামে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব পণ্যে কোনটি আসল আর কোনটি নকল বোঝার সাধ্য ক্রেতার নেই। ফলে ক্রেতারা আর্থিকভাবেও ঠকছেন আবার মানহীণ পণ্য ব্যবহার করে স্কিনে নানা ধরনের রোগেরও কারণ হচ্ছে। 

অবৈধ আমদানির বিষয়ে বিএসটিআইয়ের উপপরিচালক মো. রিয়াজুল হক বলেন, ‘আমাদের বিষয়টি নজরে আছে। যারা অবৈধ পথে আমদানি করে ব্যবসা করছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি আমরা। সামনের দিনে অভিযোগ পেলে আরো অভিযান পরিচালনা করা হবে।’

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More