গ্যাস্ট্রিক নির্মূলের ঘরোয়া পদ্ধতি

0 103

।।ডক্টর’স চেম্বার প্রতিবেদন।।

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি। এ যেন এক আতঙ্কের নাম। এ গ্যাস্ট্রিক যেন এখন সবার ঘরে ঘরে। মূলত খাবারের বদহজমে গ্যাস্ট্রিক হয়ে থাকে। ফলে বমি ভাব, ডায়রিয়া ও পেটে ব্যথা হতে পারে। কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গ্যাস্ট্রিক নির্মূল করা যায়।

তা নিম্নে বর্ণিত করা হলো:

দারুচিনির ব্যবহার: দারুচিনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে কার্যকরী। দারুচিনি অ্যাসিডিটি, পেটে ব্যথা এবং পেটের গ্যাসের সমস্যা সমাধান করে তাৎক্ষণিকভাবেই। কফি, ওটমিল কিংবা গরম দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন, খুব দ্রুত ফলাফল পাবেন। তবে যদি দুধে সমস্যা থাকে তাহলে দুধ খাবেন না। এ ছাড়া পানিতে দারুচিনি গুঁড়ো ফুটিয়ে ছেঁকে মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করতে পারেন। এতেও সমস্যার উপশম হবে।

বেকিং সোডার ব্যবহার: বেকিং সোডার অ্যাসিডিক উপাদান পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, গ্যাস দূর করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানে কাজ করে। ১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস পানিতে ভালো করে গুলে নিন। পরে মিশ্রণটি পেটে সমস্যা অনুভূত হওয়ার সময়ে পান করে নিন। এতে দ্রুত ভালো ফলাফল পাবেন।

আদার ব্যবহার: আদা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ ও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা উপশমে কাজ করে। ২ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ আদা কুচি একটু ছেঁচে দিয়ে ফুটাতে থাকুন। পানি শুকিয়ে ১ কাপ হয়ে এলে এতে ১-২ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন, বেশ ভালো ও দ্রুত ফল পাবেন। চাইলে শুধু আদা লবণ দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন। এতেও অনেক উপকার হবে।

খাবারের সঙ্গে সরষে যোগ : সরষে গ্যাস সারাতে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে না পারে। নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার প্রতি। জেনে নিতে হবে কোনটি খাওয়া উচিত হবে কোনটি হবে না।

এসএফ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More