করোনা সংক্রমণ এড়াতে ডাবল মাস্ক পরার সঠিক উপায়

0 113

।।ডক্টর’স চেম্বার প্রতিবেদন।।

মহামারির এই সময় মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই। ঘর থেকে বের হলেই মুখে মাস্ক পরা জরুরি। একমাত্র মাস্ক ব্যবহারের মাধ্যমেই করোনা সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই মুহূর্তে ২টি বা ৩টি মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ করোনাভাইরাস এতোটাই সুক্ষ্ম হতে পারে যে, বাতাসে ছড়িয়ে মানবদেহে সক্রমণ ঘটায়। বিশেষজ্ঞরা এখন করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা রোধ করতে সবাইকে ডাবল মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন। ২টি মাস্ক পরা কি কার্যকর? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) থেকেও ডাবল মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, যত ভালো মাস্কই হোক না কেন, একটি না পরে বরং ২টি একসঙ্গে ব্যবহার করা উচিত। সমীক্ষা অনুসারে, ডাবল মাস্কিং করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা ৮৫-৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে। ডাবল মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন-

দুটি মুখোশই যেন মুখে একে অপরের

সঙ্গে ভালোভাবে ফিট হয়ে থাকে।

মুখের কোনো স্থানে যেন ফাঁকা না

থাকে বা বাতাস ঢুকতে না পারে।

দুটিই যেন ভালো মানের মাস্ক হয়।

একই ধরণের দুটি মাস্ক পরবেন না।

একটি এন ৯৫ / কে ৯৫ মাস্ক ব্যবহার

সিডিসির সাম্প্রতিক গবেষণা তথ্যানুসারে, ডাবল মাস্কের ক্ষেত্রেও লেয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে মাস্কগুলো অন্তত ৩ স্তরবিশিষ্ট সেগুলো ভালো সুরক্ষা দেয়। ২ স্তরবিশিষ্ট মাস্কে অনেকটা অরক্ষিত হয়, এগুলো জীবাণুর বিরুদ্ধে মাত্র ৫৬.৬ শতাংশ সুরক্ষা দেয়। অন্যদিকে কাপড়ের মুখোশ যেগুলো ৩ স্তরবিশিষ্ট; সেগুলো ৮৫.৪ শতাংশ রোধ করে। একাধিক স্তরবিশিষ্ট মাস্ক আপনাকে ভাইরাস থেকে রক্ষা করবে। এজন্য নিশ্চিত করুন, আপনি এমন একটি মুখোশ নির্বাচন করেছেন; যেটি তৃতীয় স্তরবিশিষ্ট। সিডিসির সুপারিশ অনুযায়ী, ডাবল মাস্ক পরার ক্ষেত্রে এটি নিশ্চিত করুন যে, আপনি আরামবোধ করেছেন কি-না। অনেক সময় দেখা যায়, মাস্ক অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণে ভালো মানের আরামদায়ক মুখোশ পরুন। মাস্ক পরার পর ভালোভাবে শ্বাস নিতে পারছেন কি-না সেদিকেও খেয়াল রাখুন।

এসএফ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More