করোনায় শিল্পখাত উপকরন আমদানিতে পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব

0 68

করোনাভাইরাসের প্রভাবে শিল্পখাতে সার্বিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এর মধ্যে সব ধরনের শিল্পের উপকরণ আমদানিতে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

নতুন শিল্প স্থাপন বা পুরোনো শিল্প আধুনিকায়নে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, শিল্পপণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য থেকে পূর্ণাঙ্গ পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত মধ্যবর্তী কাঁচামাল আমদানির পরিমাণ বেশ কমে গেছে।এতে একদিকে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি কমে গেছে। অন্যদিকে চাহিদা কম থাকায় চলমান শিল্পগুলো সক্ষমতা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন করতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি একাধিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ খাতে আমদানি কমেছিল ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। অর্থাৎ, ২০১৮-১৯ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে কমছে শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানির পরিমাণ। এতে নতুন শিল্প স্থাপনের গতি ও চালু শিল্প আধুনিকায়নের গতি কমে গেছে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি ও বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) চেয়ারম্যান আবুল কাসেম খান বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। শুধু দেশি বিনিয়োগ বাড়ালে হবে না। বিদেশি বিনিয়োগও বাড়াতে হবে। দুটির সমন্বয়ে শিল্পখাতের বিকাশ ঘটবে।

প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ। একই সময়ে এলসি খোলা বেড়েছে ৫ দশমিক ০৭ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে এলসি খোলা কমেছিল ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। আমদানি বেড়েছিল ১ দশমিক ৬০ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির প্রথম সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কারখানার সক্ষমতার ৭০-৭৫ শতাংশ ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে। অর্র্ডার কম হওয়ায় সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন করা যাচ্ছে না। যে কারণে ব্যাংক টু ব্যাক এলসির আওতায় কাঁচামাল আমদানিও কমেছে।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More