করোনার কারনে চাকরি হারিয়েছে ১৯% নারী পোশাককর্মী

0 146

সরকার কভিডের কারণে বিপর্যস্ত নারীদের জন্য যে প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছিল, সে সম্পর্কে ৫৮.৬ শতাংশ নারী জানেনই না। গতকাল বৃহস্পতিবার ‘সরকারের আর্থ-সামাজিক পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা : নারীরা কতটা উপকৃত হয়েছে’, শীর্ষক ভার্চুয়াল সংলাপে এ তথ্য তুলে ধরেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। সংলাপটি সিপিডি ও ইউএন ওমেনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

জরিপের তথ্য পর্যালোচনা করে ফাহমিদা খাতুন বলেন, করোনার প্রকোপে গত বছর মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৫৪ শতাংশ গৃহকর্মী ও ১৯ শতাংশ নারী গার্মেন্টকর্মী তাঁদের চাকরি হারিয়েছেন। এতে ব্যাপক দারিদ্র্যের সম্মুখীন হয়েছেন তাঁরা। এ ছাড়া লকডাউনের মধ্যে দেশে ৪৯ শতাংশ নারী নিরাপদে ছিলেন না। জরিপে এই অতিমারির মধ্যেও ৫৮ শতাংশ বাল্যবিয়ে বেড়েছে, সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই একজন মায়ের বাচ্চা জন্ম হওয়ার মতো সামাজিক সমস্যাগুলো বেড়েছে

বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত না থাকায় ব্যাংক কিংবা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান উদ্যোক্তাদের লোন পেতে বেগ পেতে হয়েছে। যার মধ্যে ৪৮ শতাংশ নারী বলেছেন, তাঁদের ব্যবসা সামনে নিয়ে যাবেন ও ৪১.১ শতাংশ ব্যবসা পুরোপুরি গুটিয়ে নেবেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কাজের অগ্রগতি নেওয়া হয়েছে। কাজ হারানো গৃহকর্মী ও গার্মেন্ট শ্রমিকদের দিকে নজর দেওয়া হবে। কারণ এটি অনানুষ্ঠানিক খাত হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অনেক মানুষ আছে যারা জানেই না যে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এটা অবাক করার মতো বিষয়, কারণ দেশে অনেক গণমাধ্যম রয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে কাজ করা হবে। সংলাপে আরো বক্তব্য দেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম; বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক, ড. লীলা রশিদ; পারসোনার ব্যবস্থাপনা পরিচালক কানিজ আলমাস; ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর এফ হোসেন; বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সহসভাপতি ড. ফৌজিয়া মোসলেম এবং দেশ গ্রুপ অব কম্পানিজের পরিচালক বিদ্যা অমৃত খান।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More