আবারো পণ্যের দাম বৃদ্ধি, চাপের মুখে ভোক্তা

0 129

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন পণ্যের দাম গড়ে ৩ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে রোজায় যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি রয়েছে।এদিকে রোজা ও বিধিনিষেধের মধ্যে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। খোলা হয়েছে বিশেষ মনিটরিং সেল। একইসঙ্গে সরকারি সংস্থাগুলোর তদারকিও জোরদার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট তদারকির অফিসগুলো খোলা থাকবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর কাওরানবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার, নয়াবাজার ও রাজধানীর কেরানীগঞ্জ জিনজিরা কাঁচাবাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে আলুর দাম ২ টাকা বেড়ে ২৪ টাকা, সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ৫ টাকা বেড়ে ১৬৫ টাকা ও গরুর মাংসে ২০ টাকা বেড়ে ৬২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বোতলজাত পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলে ১০ টাকা বেড়ে ৬৬০ টাকা, মসুর ডাল ১০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৪৫ টাকা ও আদা ২০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারের বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেগুন ও শসা ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৯০ টাকা ও দারুচিনি ৪৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক মাসের ব্যবধানে মোটা চাল কেজিতে দুই টাকা বেড়ে ৫২ টাকা, খোলা ময়দা ২ টাকা বেড়ে ৩৮ টাকা, খোলা সয়াবিন লিটারে ৪ টাকা বেড়ে ১২৫ টাকা, এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৫ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এককেজি প্যাকেটজাত গুঁড়া দুধের মধ্যে ডানো মাসের ব্যবধানে ২০ টাকা বেড়ে ৬৫০ টাকা, কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে চিনি ৭২ টাকা ও ৫ টাকা বেড়ে ছোলা ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কোনো পণ্যের ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা বা কারণ নেই। কৃত্রিম উপায়ে কোনো পণ্যের সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More